• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন

আগামী ১’বছরের মধ্যে চা শ্রমিক নারীদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনব- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Reporter Name / ৬০ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

আগামী ১’বছরের মধ্যে চা শ্রমিক নারীদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনব- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী আসার পূর্বে ভাতা উপকারভোগীর বসার স্থান ভেঙ্গে যায় ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে জনসভা দেখায় তীব্র ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।

স্মরন সিং, মৌলভীবাজারঃ

প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়ন হইতে আগত স্থানীয় বাসিন্দা,চা শ্রমিক জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠীসহ হাজার হাজার স্থানীয় নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন ও সদর উপজেলা মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রাজনগর উপজেলায় ৩য় পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুভাগমন করে শুভ উদ্ধোধনের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড,অসহায় দুঃস্থ, বিশেষ দুরারোগ্য আক্রান্ত ও প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি, ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী শিক্ষার্থী একাকালীন শিক্ষা ভাতা, চা শ্রমিক জীবনমান উন্নয়নে একাকালীন ভাতা ও অসহায় চা শ্রমিক ঘর নির্মাণবাবদ চেক বিতরণ করেন।

অদ্য ১৭ জুন শ্রীমঙ্গল উপজেলার ও রাজনগর উপজেলার উপকারভোগীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড ও বিভিন্ন অনুদানের ভাতা চেক প্রদান করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি তারেক রহমান বলেন নির্বাচন প্রচারণার সময় আপনাদের বিভিন্ন উন্নয়নের ( ফ্যামিলি কার্ড,কৃষক কার্ড,কৃষক ঋণ,চা শ্রমিক ভাতা,শিক্ষা ভাতা,খাল খনন,চা শ্রমিক ঘর নির্মাণ,চা শ্রমিক জীবনমান উন্নয়ন) ইত্যাদি কথা দিয়েছিলাম। নির্বাচিত হয়ে আপনাদের কথা রাখতে পেরে আমি আজকে অত্যন্ত আনন্দিত ও খুশি। আপনারা নির্বাচিত করেছেন, এ সরকার জনগণের, জনগণের উন্নয়নে কাজ করবে বলে একাত্মতাপোষণ প্রকাশ করেন। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব)। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসন,বিএনপি নেতৃবৃন্দ সহ প্রমূখ মঞ্চস্থ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে আসার ঠিক আগমূহুর্তে শ্রীমঙ্গলে ভাতা উপকারভোগীর স্থান রোদ,বৃষ্টি উপেক্ষা করে বসার জন্য যে ত্রিপাল ছাউনি নির্মাণ করেছিলেন তাহা ভারী বৃষ্টি উপেক্ষা ও ভারসাম্য বহন করতে না পেরে ভেঙ্গে পরেছে। ছাউনিতে বসে থাকা উপকারভোগীর কোন হতাহত হয় নি। পরে হতাহতের আশংকাতে ত্রিপাল ছাউনি একেবারে খুলে ফেলেন আয়োজকরা। বসার সভাস্থল ত্রিপাল ছাউনি বাঁশ,কাঠ দিয়ে নির্মিত করা হয়েছিল।

শ্রীমঙ্গলে অব্যবস্থাপনারও অভিযোগ উঠেছে। তথ্য নিয়ে জানা যায়, শ্রীমঙ্গলে হাজার হাজার মানুষ সমাবেশ স্থলে যাতায়াতের রাস্তা ব্যবহারে কোন সু-শৃঙ্খলা ছিল না। এত্ত বড় রাষ্ট্রীয় জনসমাবেশ সেচ্ছাসেবক থাকা সত্বেও দায়িত্ব পালনে কিংবা সমাগমে যোগাযোগ রাস্তা কোন ব্যবস্থাপনা সহযোগিতা চোখে পড়ে নি। আবার সমাবেশ স্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে নিজ চোখে দেখা ও বক্তব্য শোনা নারী ও শিশু জনসমাগে হারিয়ে যাওয়া ও অসুস্থতায় কান্নাজড়িত অবস্থায় দেখা গেছে।

এতে দুর-দুরান্ত হইতে আগত শুভাকাঙ্ক্ষীরা সভাস্থলে আসা-যাওয়াও নানান সমস্যায় পড়তে হয়েছে। অব্যবস্থাপনার অভাবে হাজার হাজার মানুষ বৃষ্টিতে না ভিজার জন্য কলেজ রোড,প্রেস ক্লাব রোড,স্টার কমিউনিটি সেন্টার আশপাশে দোকানে আশ্রয় নেয়। সামান্যতম বৃষ্টি কমার সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে গাড়িবহরে আসলেন ও সভা মঞ্চস্থ আসন গ্রহণে কার্যক্রম শুরু করেন। কিন্তু বৃষ্টি ভেজা উপেক্ষা আশ্রয় নেওয়া সাধারণ জনগণ সভাস্থলে আসার জন্য প্রবেশগেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাঁধার সম্মুখিন হলেন। ফলে রাস্তার পাশে আশ্রয় নেওয়া সাধারণ জনগণ প্রেসক্লাবের সীমানা প্রাচীর,চারুকলার সীমানা প্রাচীর, কলেজ রোড নতুন ভবন্যস্থ পাবলিক লাইব্রেরী সীমান প্রাচীর ডিঙ্গিয়ে জনসমাবেশ অনুষ্ঠানে যোগদান করেন আবার অনেকে ব্যর্থ হয়ে রাস্তার পাশে ভিজে ভিজে অবস্থানরত ছিলেন।

সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, জনসমাবেশ স্থল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণ, মাঠের স্টেডিয়াম, শ্রীমঙ্গল শিশু উদ্যান মাঠে পর্যাপ্ত জায়গা ছিল যাহা সু-শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় জনসমাবেশ উৎপল্ল ও উচ্ছ্বসাসে উপভোগ করতে পারতেন সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গ।

অব্যবস্থাপনায় জনর্দূভোগ পোহাতে হয়েছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd