“শ্রীমতি দেবযানী” বিশ্বের প্রথম “বৈদ্যুতিক বিমান” নির্মাণের কারিগর 
সুনির্মল সেন:
চট্রগ্রামের মেয়ে দেবযানী ১৯৮৮ সালের ৩০ অক্টোবর চট্টগ্রাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। চট্টগ্রামের অপর্ণাচরণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি করার পর ভর্তি হন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলে স্নাতক হওয়ার পর দেবযানী কিছুদিন শিক্ষকতা করেন চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে। এরপর চলে যান জার্মানি। পিএইচডি করেছেন ইউনিভার্সিটি অব উলম থেকে।
প্রথম থেকেই তার উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে কাজ করা। তাই আরডাব্লিউটিএইচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করার পর তিনি HY4 প্রকল্পের গবেষণা দলে যোগ দেন। HY4 হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম কার্বন নিঃসরণমুক্ত বিমান। যেটি চলে জ্বালানি কোষ ও ব্যাটারির সাহায্যে। এই বিমানের শব্দও কম।২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জার্মানির স্টুটগার্ট বিমানবন্দর থেকে সেটি সফলভাবে উড্ডয়ন করে।
বাংলাদেশের কতো মেধাবী মুখ দেশের আনাচে-কানাচেসহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। যদি আমরা সঠিকভাবে তাদের প্রতিভাকে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারতাম। তাহলে এতোদিনে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের কাছাকাছি চলে যেতে বেশী সময় লাগতো না।
শ্রীমতি দেবযানীর প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা, অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি! আরো এগিয়ে যান দেবযানী । আপনার গবেষণাকে আরো সমৃদ্ধ করুন দেবযানী! আপনার মতো প্রতিভাময়ী একজন নারীকে নিয়ে আমরা দেশবাসী মারাত্মক ভাবে গর্বিত#