• সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যশোরের মনিরামপুরে জেসমিন নাহার এক এনজিও কর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ইরানে হামলা ও আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত ​ওসমানীনগর উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল ও দোয়া সম্পন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত একটি ইফতার – একটি হাসি” স্লোগানে রক্তের বন্ধন সোশ্যাল অর্গানাইজেশনের ইফতার বিতরণ সম্পন্ন ​ওসমানীনগরে আমের মুকুলে বসন্তের ছোঁয়া: সোনালি স্বপ্নের সুবাসে বিভোর কৃষক দৈনিক জনকন্ঠ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি সাংবাদিক আব্দুস সালামের উপর “সন্ত্রাসী ইসলাম উদ্দিনের হামলা” ও একুশে টিভির অফিস ভাংচুর : প্রতিনিয়ত সামাজিক অসঙ্গতি নিয়ে লিখছেন তুলতুল আমরা অনুগত নয়, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী বিরোধী দল হবো —— ডা. শফিকুর রহমান মনিরামপুর উপজেলায় চাদাবাজি ও দখলদারিত্ব নির্মুল করতে চাই

যশোরের মনিরামপুরে জেসমিন নাহার এক এনজিও কর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

Reporter Name / ৪ Time View
Update : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬

মনিরামপুর প্রতিনিধি যশোরের মনিরামপুরে জেসমিন নাহার (৩৪) নামে এক এনজিও কর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে উপজেলার কপালিয়া এলাকা থেকে পুলিশ তার মরা দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এর আগে শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে জেসমিন নাহারের ১২ বছর বয়সী ছেলে ঘরের সামনে আম গাছে মায়ের লাশ ঝুলতে দেখে।
দুই সন্তানের জননী জেসমিন নাহার কপালিয়া গ্রামের মিলন হোসেনের স্ত্রী। তিনি আদ-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের নেহালপুর শাখায় ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের মাঠ কর্মী ছিল। ৮-৯ লাখ টাকা ঋণ থাকায় পাওনাদারদের চাপে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে সে। এ কারণে সে আত্মহত্যা করেছেন বলে বলে পুলিশের ধারণা।
মনিরামপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) রফিক বলেন, জেসমিন নাহারের স্বামীর স্থানীয় বাজারে চা দোকান রয়েছে। স্বামীর সীমিত আয়ে সংসার চলত না। জেসমিন নাহার একটি এনজিওতে ঋণ কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিল। তার মাধ্যমে ওই সংস্থা থেকে অনেক গ্রাহক ঋণ নিয়েছেন। সংসারের অভাব অনটনের কারণে গ্রহকদের নামে বরাদ্দ ঋণ থেকে গোপনে সে কিছু টাকা রেখে দিত। এভাবে তার ব্যক্তিগত ঋণের পরিমান ৮-৯ লাখ টাকায় পৌঁছায়।
এসআই রফিক বলেন, সম্প্রতি গ্রাহকরা জেসমিন নাহারের টাকা কেটে রাখার বিষয়টি জানতে পেরে তাকে চাপ দিতে থাকেন। এতে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে গলায় ওড়না জড়িয়ে আত্মহত্যা করতে পারে।
আদ-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টার নেহালপুর শাখার ব্যবস্থাপক পলাশ পারভেজ জানান, জেসমিন নাহার আমাদের ক্ষুদ্রঋণ শাখায় নিজ এলাকায় কাজ করত। আজ রোববার সকালে এক কর্মীর মাধ্যমে তার আত্মহত্যার খবর পেয়েছি। মাসিক হিসেব ছাড়া অফিসে জেসমিনের তেমন কোন দেনাপাওনা নেই। কেন সে আত্মহত্যা করেছে তা অস্পষ্ট।


More News Of This Category
bdit.com.bd